
প্রতিষ্ঠা
ষাটের দশকের শেষের দিকে তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক খুলনা শহরে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে বর্তমান কলেজ ভবনটি নির্মিত হয়। কিন্তু দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সঠিক সময়ে শুরু করা সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার এক যুগেরও পর স্থানীয় জনগণের আগ্রহ ও তদানীন্তন শিক্ষা সচিব জনাব কাজি আজহার আলি’র আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৯৮৭ সালে ২০ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের বিখ্যাত পাবলিক স্কুলের অনুকরণে সুন্দরবন বয়েজ পাবলিক স্কুল নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিদ্যালয় হিসাবে চালু করা হয়। একই বছরে কলেজ সেকশনের কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১৯৮৮ সালের ১ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় খুলনা পাবলিক কলেজ। এরপর ১৯৮৮ সালের ১৮ আগস্ট প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলেজটির সাফল্যের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকায় এবং জনগণের শিক্ষা চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০০৩ সালে এ কলেজে দিবা শাখা খোলার অনুমোদন দেয়।
পরবর্তীতে সুষ্ঠু পাঠ্যক্রম পরিচালনার জন্য ১ আগস্ট ২০২৪ সাল থেকে বোর্ড অব গভর্নরস এর অনুমোদনক্রমে প্রভাতী ও দিবা শাখা এক শিফ্টে করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অবস্থান